![]() |
পর্যটন |
![]() |
|
|
||
|
|
ধার্মিক ও
সাংস্কৃতিক |
দর্শনীয় স্থানাদি
|
ঐতিহাসিক
|
ধার্মিক |
ইতিহাসভিত্তিক সাংস্কৃতিক
|
যোগাযোগ
ব্যবস্থা
|সর্বমঙ্গলা
মন্দির
|
||
|
|
||
বর্ধমান জেলার পূর্বাংশ মুখ্যত কৃষি নির্ভর এবং পশ্চিমাংশ মূলত শিল্পভিত্তিক। প্রচুর পরিমানে কৃষিজমি থাকার কারনে এবং বহুল পরিমান ধানের ফলন হবার জন্য এই জেলাকে পশ্চিম বাংলার "ভাতের থালা" বলা হয়।ভ্রমণ সংক্রান্ত ব্যপারে রাজ্যের এই জেলাটি ব্যপক সম্ভাবনাময়। মূলত মাইথন ড্যাম, মেঘনাদ সাহা প্লানেটোরিয়াম,কৃষ্ণসায়র উদ্যান এবং বর্ধমান সায়েন্স সেণ্টারের জন্য এই জেলা বিখ্যাত। কিন্তু এছাড়াও এই জেলায় রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং ধার্মিক দ্রষ্টব্য স্থান, নয়নাভিরাম দৃশ্যপট,পক্ষিনিবাস,ঊষ্ণ প্রস্রবন প্রভৃতি।
কালনা মহাকুমার পূর্বাস্থলী-২ ব্লকের "চুপিচর" নামক গংগার বহুবক্র গতিপথে ২০ বর্গ কিমি বিস্তৃত ক্ষুদ্র দ্বীপ সমষ্টি ও হাঁসুলিকৃতিবিশিষ্ট নদীবাঁকটি একটি প্রসিদ্ধ জাতীয় সাধারন ও বিরল প্রজাতির পরিয়ায়ী পাখিনিবাস।প্রতি বছর শীতে এখানে প্রচুর সংখ্যক টীল, ষ্টর্ক, গাল্ প্রভৃতি প্রজাতির পাখি আসে।
বিভিন্ন দ্রষ্টব্য স্থানগুলি ও সেগুলিতে যাতায়াতের ব্যবস্থা নিম্নরূপ।
![]()
ধার্মিক ও
সাংস্কৃতিক
| পিরবহরম্ সিক্কা | |
|
শের আফগানের(বাংলার সুবেদার) সমাধি।(বর্ধমান পুরসভা) |
| খাজা আনোয়ার বেড় | |
|
বিখ্যাত মুঘল যোদ্ধা খাজা আনোয়ারের সমাধি।(বর্ধমান পুরসভা) |
| কমলাকান্ত কালীবাড়ী | |
| প্রসিদ্ধ সাধক কমলাকান্তের স্মৃতি বিজড়িত কালী দেবীর মন্দির।(বর্ধমান পুরসভা) | |
| শাহ্ আলমের দরগা | |
| পুরাতাত্বিক মূল্যসমৃদ্ধ এই সৌধটি ১৮ শতকের শুরুতে তৎকালীন বাংলার সুবেদার মুর্শিদকুলি খান দ্বারা নির্মিত।(কাটোয়া পুরসভা) | |
| বাবতাডিহি | |
| আনুমানিক পাল রাজাদের সময়ে তৈরী এই ভগবান শিবের মুর্তিটি পুরাতাত্বিক মূল্যসমৃদ্ধ।(মঙ্গলকোট ব্লক) | |
| সিদ্ধেশ্বরী মন্দির | |
|
শিব মন্দির দ্বারা পরিবৃত দেবী সিদ্ধেশ্বরী অম্বিকার মন্দির। টেরাকোটার কাজের জন্য বিখ্যাত।(কাটোয়া পুরসভা) |
| বৈকুণ্ঠনাথ শিব মন্দির | |
| কীর্তীচাঁদের মাতা ব্রজকিশোরী দ্বারা নির্মিত।টেরাকোটার কাজের জন্য বিখ্যাত।(কালনা পুরসভা) | |
| শ্যামারূপ মন্দির | |
| ১০০ বছরেরও বেশী পুরোনো এই টেরাকোটার মন্দিরে ১০ টি মার্বেল নির্মিত অস্ত্রধারী শ্যামারূপ মূর্তি রয়েছে।(কাঁক্সা ব্লক) | |
| ইছাই ঘোষের মন্দির | |
| ২০০ ফুট উচ্চতার পোড়ামাটীর তৈরী এই সুবিশাল মন্দিরের স্থাপত্য এবং খোদাইকার্য্য অনবদ্য।(কাঁক্সা ব্লক) | |
| রাজেশ্বর মন্দির | |
| স্থাপত্য কার্য্যে অনন্য এই মন্দির কথিতভাবে শিবের উপাসক ভাস্কর পণ্ডিতের আক্রমন থেকে গ্রামকে রক্ষা করার জন্য নির্মিত হয়েছিল। (কাঁক্সা ব্লক) | |
| রাধেশ্যাম মন্দির | |
| বাঁকুড়া-বিষ্ণুপুরের শৈলীতে নির্মিত পোড়ামাটির তৈরী এই মন্দির, এর অনন্য স্থাপত্য ও পোড়ামাটির কাজের জন্য পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।(আসানসোল মহানগরপালিকা) | |
| বিষ্ণু মন্দির | |
| আনুমানিক পাল যুগে তৈরী ৩৫ ফুট উচ্চতার এই পাথরের নারায়ণ মন্দির, এই এলাকায় অদ্বিতীয়।(আসানসোল মহানগরপালিকা) | |
| কৃষ্ণসায়র উদ্দ্যান | |
| বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন একটি মনোরম জলাধার এবং উদ্দ্যান।রয়েছে একটি মত্তসাধার, নৌকাবিহার এবং অন্যান্য সুবিধা।(বর্ধমান পুরসভা) | |
| রানিসায়র | |
| শহরের কেন্দ্রস্থিত ব্রজকিশোরী নির্মিত সুবিশাল এবং মনোরম জলাধার।(বর্ধমান পুরসভা) | |
| কার্জন গেট | |
|
বর্তমানে বিজয়তোরণ নামে পরিচিত বর্ধমান শহরের প্রবেশমুখে স্থিত এই ঐতিহাসিক স্তম্ভটি মহারাজা বিজয়চাঁদ তদ্কালীন বাংলার ভাইসরয় লর্ড কার্জনের আগমন উপলক্ষ্যে নির্মাণ করেন।(বর্ধমান পুরসভা) |
| মেঘনাদ সাহা প্লানেটোরিয়াম | |
|
বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর গোপালবাগে স্থিত আর্ন্তজাতিক মানের এই তারামণ্ডলটি এশিয়ার অন্যতম সেরা।(বর্ধমান পুরসভা) |
| বর্ধমান সায়েন্স সেণ্টার | |
| বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর গোপালবাগে স্থিত এই বিজ্ঞআন কেন্দ্রটি অত্যন্ত উচ্চমানের।(বর্ধমান পুরসভা) | |
| উদ্ধরণপুর | |
| ৫০০ বছরের পুরোনো মেলার জন্য প্রসিদ্ধ এই দূর্গ সদৃশ গ্রামেই বিখ্যাত নৈহাটি দূর্গ অবস্থিত ছিল বলে অনুমান করা হয়। (কেতুগ্রাম-২ ব্লক) | |
| কোগ্রাম | |
| অজয় এবং কুনুর নদীর মিলনস্থলের এই অঞ্চলেই বিক্রমাদিত্যের রাজধানী উজ্জ্বয়নী অবস্থিত ছিল বলে অনুমান করা হয়।চণ্ডিমঙ্গল খ্যাত ধণপতি সওদাগরও এখানে বসবাস করতেন।রয়েছে দেবী চণ্ডির একটি মন্দির। স্থানটি অন্যতম সতীপীঠ বলে বিশ্বাস।(মঙ্গলকোট ব্লক) | |
| কালনা রাজবাড়ী | |
| বর্ধমানের মহারাজার প্রাসাদটি এবং এর প্রাঙ্গণস্থিত লালজী মন্দির, প্রতাপেশ্বর দেউল ও কৃষ্ণচন্দ্রজী মন্দির আজও বহু পর্যটকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। (কালনা পুরসভা) | |
| চুপিচর | |
| গংগার বহুবক্র গতিপথে ২০ বর্গ কিমি বিস্তৃত ক্ষুদ্র দ্বীপ সমষ্টি ও হাঁসুলিকৃতিবিশিষ্ট নদীবাঁকে প্রায় ৭৩ প্রজাতির পরিযায়ী পাখি শীতকালে উড়ে আসে এবং মার্চ মাস পর্য্যন্ত আশ্রয় নেয়। | |
| হরিণ উদ্দ্যান | |
| দূর্গাপুরের এই উদ্দ্যানটি বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের কাছে একটি বিশেষ আকর্ষণ।(দূর্গাপুর মহানগরপালিকা) | |
| নাচন পক্ষী-অভয়ারণ্য | |
| নাচনের এই পক্ষী-অভয়ারণ্যটিও বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের কাছে একটি বিশেষ আকর্ষণ।(দূর্গাপুর মহানগরপালিকা) | |
| মাইথন ড্যাম্ | |
|
মাইথন বাঁধ,সংলগ্ন জলাধার এবং তার চিত্রসদৃশ দৃশ্যপট ও মনোরম পরিবেশ বারবার এসে দেখার মত।(সালানপুর ব্লক) |
| চুরুলিয়া | |
| কবি নজরুল ইসলামের জণ্মস্থানটি নজরুল একাডেমী দ্বারা সংরক্ষিত।এখানে একটি ইয়ুথ হোষ্টেল রয়েছে।পাথরের খোদাই কাজের জন্য গ্রামটি বিখ্যাত। (জামুড়িয়া) | |
| রাজবাটি | |
![]() |
বর্ধমানের মহারাজার প্রাসাদটি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা ব্যব হৃত হয়।(বর্ধমান পুরসভা) |
| কাঞ্চনগড় | |
|
আনুমানিক গৌড়রাজ শশাংকের রাজধানী যা পূর্বে কর্ণ-সুবর্ণ নামে পরিচিত ছিল।এখানে মনুষ্য কংকালসদৃশ কংকালেশ্বরী দেবীর মুর্তি আছে।(বর্ধমান পুরসভা) |
| দেউলিয়া | |
| আনুমানিক দশম শতকে নির্মিত এই সুদৃশ্য মন্দিরটির গঠণ উড়িষ্যার "রেখ" মন্দিরগুলির মত। (মেমারী ব্লক-১) | |
| সিংগি | |
| মহাভারতের বাংলা অনুবাদক প্রসিদ্ধ কাশীরাম দাসের আদি নিবাস এই গ্রাম।(কাটোয়া-২ ব্লক) | |
| শের আফগান গড় | |
| রয়েছে শের আফগান নির্মিত দূর্গের ভগ্নাবশেষ এবং একটি সুবিশাল জলাশয়।(অণ্ডাল ব্লক) | |
| সর্বমঙ্গলা মন্দির | |
|
কথিত আছে দামোদর নদীর বালুচরে,বর্ধমানের রাজাদের পুজ্য দেবী সর্বমঙ্গলার মূর্তিটি পাওয়া গিয়েছিল, এই মন্দিরে অধিষ্টিত আছে।(বর্ধমান পুরসভা) |
| টিমা মস্জিদ | |
| ১৭ শতকের শেষেরদিকে,বাংলার সুবেদার, ঔরঙ্গজেবের পুত্র আজিম-উস্-শান্ এর নির্মাণ করেন।(বর্ধমান পুরসভা) | |
| বর্ধমানেশ্বর মন্দির | |
| এই শিব মন্দিরে ভগবান শিবের এক বিশালাকায় মূর্তি অধিষ্টিত আছে।কথিত আছে চাঁদ সওদাগর এই শিবের উপাসনা করেছিলেন।(বর্ধমান পুরসভা) | |
| ১০৮ শিব মন্দির | |
|
মহারাণী বিষ্ণুকুমারী প্রতিষ্ঠিত এই একত্রিত ১০৮ টি শিব মন্দিরের প্রাঙ্গণে রয়েছে একটি সুদৃশ্য উদ্দ্যান এবং জলাশয়, চারপশের প্রকৃতিও অত্যন্ত মনোরম।(বর্ধমান-১ ব্লক) |
| বাহমা পীরের সমাধিসৌধ | |
| সঈদ আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্র সমসাময়িক সঈদ মহম্মদ বাহমার সমাধিসৌধ।সংলগ্ন দরগাটী সব ধর্মের মানুষের কাছেই অত্যন্ত জনপ্রিয়।(আউশগ্রাম-২ ব্লক) | |
| গাঁতার | |
| দেবী চণ্ডির মূর্তি অধিষ্টিত মন্দিরটি বহু পর্য্যটকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।এটি ৫১ সতীপিঠের এক টী বলে বিশ্বাস।(মেমারী-১ ব্লক) | |
| শ্রী গৌরাঙ্গ মন্দির | |
| এই বৈষ্ণব মন্দিরটি শ্রীচৈতন্য ও কেশব ভারতী দর্শনার্থে এসেছিলেন বলে বিশ্বাস।(কাটোয়া পুরসভা) | |
| মাধাইতলা | |
| শ্রীচৈতন্যের দুই শিষ্য জগাই-মাধাই এই আশ্রমটিতে এসেছিলেন এবং এখানে ৫০ বছরেরও বেশী সময় ধরে অখণ্ড কীর্তন চলে বলে কথিত আছে।(কাটোয়া পুরসভা) | |
| শ্রীখণ্ড | |
| বৈষ্ণব সংস্কৃতির একটি কেন্দ্র।প্রতি বৈশাখে বাউল সমাবেশের জন্য বিখ্যাত।গ্রামের কুলদেবী দেবী খণ্ডেশ্বরীর একটি মন্দিরও রয়েছে।(কাটোয়া পুরসভা) | |
| অগ্রদীপ | |
| গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর স্মৃতিবিজড়িত এবং গোপীনাথ মন্দিরের জন্য বিখ্যাত।(কাটোয়া পুরসভা) | |
| তাজিগ্রাম | |
| শ্রীচৈতন্যের ২য় অবতার শ্রীনিবাস এখানে বাস করেছিলেন বলে কথিত আছে।তাঁর সাধনপীঠের ধ্বংসাবশেষ এখনো অবশিষ্ট রয়েছে।মন্দিরটিতে বেশকিছু কাঠের এবং পাথরের মূর্তি আছে।(কাটোয়া পুরসভা) | |
| ক্ষেত্রপাল | |
| দাঁইহাট-কৃষ্ণনগর সড়কের উপর একটি বিশাল বট গাছ যা বহু শতাব্দী ধরে নিকট ও দূরের মানুষের পুজা পেয়ে আসছে।(কাটোয়া-২ ব্লক) | |
| জ্ঞআনদাস কাঁদরা | |
| প্রসিদ্ধ বৈষ্ণব কবি জ্ঞআনদাস কাঁদরায় জন্মগ্রহন করেছিলেন।গ্রামে তাঁর সাধনাস্থলটি আজও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বহু ভক্তের আকর্ষণের কারন।(কেতুগ্রাম-১ ব্লক) | |
| অট্টহাস | |
| শক্তির প্রতীক অট্টহাস দেবীর মন্দিরটি ফুল্ল্ররা অট্টহাস নামেও খ্যাত।৫১ সতীপীঠের অন্যতম বলে বিশ্বাস।(কেতুগ্রাম-২ ব্লক) | |
| ক্ষীরোগ্রাম | |
| আরেকটি সতীপীঠ।যোগদেব ও শিবের মন্দির এবং বৈশাখী মেলার জন্য বিখ্যাত।(মঙ্গলকোট ব্লক) | |
| গৌরাঙ্গ মন্দির | |
| কথিত আছে মহাপ্রভু কালনায় এসেছিলেন এবং যে স্থানটিতে তিনি বাস করেছিলেন তা মহাপ্রভু তলা নামে খ্যাত।তাঁরই নির্দেশে গৌরাঙ্গ মন্দিরের নির্মাণ।(কালনা পুরসভা) | |
| ১০৯ শিব মন্দির | |
| তেজচাঁদ বাহাদুর ১৮০৯ তে রাজবাড়ীর ঠিক বিপরীতে বৃত্তাকারে সজ্জিত ১০৯ শিব মন্দিরের নির্মাণ করেন।বর্হিবৃত্তে ৭৪ টি, অর্ন্তবৃত্তে ৩৪ টি এবং বৃত্তের বাইরে একটি মন্দির রয়েছে।(কালনা পুরসভা) | |
| শ্রীখণ্ড মন্দির | |
| ১৭৫২ তে তিলকচাঁদের মাতা লক্ষীকুমারী এই সুদৃশ্য মন্দিরটির নির্মাণ করেন।(কালনা পুরসভা) | |
| কাশীনাথ শিব মন্দির | |
| তিলকচাঁদের পত্নীর সহচরী তুলসীদেবী এই মন্দির নির্মাণ করেন।(কালনা পুরসভা) | |
| বাগনাপাড়া | |
| প্রসিদ্ধ বৈষ্ণব কেন্দ্র।রাধা,কৃষ্ণ,কানাই,বলাই এবং শিবের মূর্তি রয়েছে।মেলার জন্য বিখ্যাত।(কালনা-১ ব্লক) | |
| গোপালদাসপুর | |
|
রাখালরাজ এখানে সর্বাধিক পুজ্য দেবতা।সুদৃশ্য মন্দিরে রাধাকৃষ্ণের কাঠের মূর্তি রয়েছে।(কালনা-২ ব্লক) |
| তারক্ষ্য মন্দির | |
| ৭০০ বছরের পুরোনো দেবী তারক্ষ্যর এই মন্দিরে কমলে-কামিনী ধাঁচের মূর্তি কৌতুহল জাগায়।(কালনা মন্তেশ্বর) | |
| মানকর | |
| অজ্ঞআতবাসের কালে পাণ্ডবেরা এই গ্রামেও লুকিয়ে ছিলেন বলে কথিত।বহু পুরোনো একটি পাণ্ডবদের মূর্তি সম্বলিত মন্দির রয়েছে।রয়েছে একটি শিব মন্দিরও।(গলসী-১ ব্লক ) | |
| পাণ্ডবনাথ মন্দির | |
| পাণ্ডবেরা এখানে কয়েকদিন কাটিয়ে ছিলেন বলে মানা হয়।পাঁচ ভাই এবং মাতা কুন্তী প্রত্যেকে একটি করে শিব মন্দির স্থাপন করেন।(অণ্ডাল ব্লক) | |
| কল্যানেশ্বরী মন্দির | |
| ৫০০ বছরের পুরোনো দেবী কল্যানেশ্বরীর মন্দিরটি অনুর্বরা মহিলাদের মনোকামনা পূর্ণ করে বলে বিশ্বাস।দেবীর মূর্তিটি একটি পাথরে খোদাই করা।(কুলটি পুরসভা) | |
ইতিহাসভিত্তিক সাংস্কৃতিক
| অমরগড় | |
| ১১ শতকে রাজা মহীন্দ্রনাথের রাজধানী এই স্থানটিতে দূর্গের ভগ্নাবশেষ দেখতে পাওয়া যায়। (আউশগ্রাম-২ ব্লক) | |
| পাণ্ডুরাজার ঢিবি | |
| ভেদিয়ার কাছে অজয় নদীর উপত্যকায় খ্রীষ্টপুর্ব ২ য় শতকের চালকোলিথিক যুগের ধ্বংসাবশেষ।(আউশগ্রাম-২ ব্লক) | |
দূর্গাপুর এক্সপ্রেস হাইওয়েকে যান চলাচলের জন্য ব্যবহার করা শুরু হওয়ায় জাতীয় সড়ক ২,জাতীয় সড়ক ৩৪ এবং জাতীয় সড়ক ৭ এর সাথে যোগাযোগ করা সহজ হয়েছে।
| | সূচক | ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট | ভূগোল | এক নজরে | প্রশাসনিক কেন্দ্রসমূহ | বিধায়কবৃন্দ ও সাংসদবৃন্দ | নির্বাচনী ফলাফল | পর্যটন | ব্লকসমূহ | সরকারী দপ্তরসমূহ | কৃষি | স্বাস্থ্য | শিক্ষা | তথ্য প্রযুক্তি | খনি | শিল্প | বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব | মানচিত্রসমূহ | ফর্ম | লোক-গণনা সংক্রান্ত তথ্য | পরিসংখ্যানগত তথ্য । দূরভাষ নির্দেশিকা | চিত্র সংগ্রহ | বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ | জেলা সংবাদ | নাগরিক পরিষেবা । মূল্যঞ্জাপণ | আদেশাবলী | |
This page is brought to you by |