HOME

খনি

ocm.jpg (12203 bytes)

কয়লার উৎপাদন
বর্ষ উৎপাদন (লক্ষ্য টনে)
1990-00 142.45
2000-01 162.90
2001-02 285.50
2002-03 157.49
2003-04 149.23
সূত্রঃ ই সি এল শাঁখতোড়িয়া, বর্ধমান
রানিগঞ্জ কয়লাখনি অঞ্চল দেশের কয়লা শিল্পের জনক।১৭৭৪ এ, সাম্‌নার এবং হিলি'র নেতৃত্বে এখানে  প্রথম কয়লা খননকার্য্য শুরু হয়।১৮২০ তে মেসার্স আলেকজাণ্ডার এন্ড কোম্পানী নামক প্রথম কয়লা সংস্থাটি  স্থাপিত হয়।১৮৩৫ এ প্রথম ভারতীয় সংস্থা মেসার্স কার্‌ এন্ড টেগোর স্থাপিত হয়। মেসার্স বেঙ্গল এন্ড  কোম্পানী হল প্রথম যুগ্ম মালিকানার সংস্থা যা ১৮৩৫ এ স্থাপিত হয়।সেই থেকে অসংখ্য ক্ষুদ্র সংস্থার দ্বারা কয়লা খননকার্য্য হয়ে আসছে।
১৯৭৩ এ সমস্ত অ-কোক কয়লাখনিগুলি রাষ্ট্রায়ত্ত হয়ে কোল মাইনস অথরিটি লিমিটেড এর পূর্ব শাখার অর্ন্তভূক্ত হয়।১৯৭৫ এ কোল ইণ্ডিয়া লিমিটেডের অধীনস্থ ইষ্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড স্থাপিত হয় এবং রানিগঞ্জ কয়লাখনি অঞ্চলের সব ব্যক্তিগত মালিকানার  কয়লাখনি এর আওতায় চলে আসে।

রানিগঞ্জ কয়লাখনি অঞ্চলের মোট আয়তন ১৫৩০ বর্গ কিলোমিটার এবং বিস্তৃতি পশ্চিমবাংলার বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলা এবং ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ জেলায়।তথাপি উত্তরে অজয় নদী এবং দক্ষিনে দামোদর নদী দ্বারা সীমিত বর্ধমান  জেলাই এই কয়লাখনি অঞ্চলের মূল কেন্দ্র।

বর্তমানে ই সি এল এর অধীনে ১০৭ টি উৎপাদনশীল খনি রয়েছে যার ৮৯ টি ভূগভস্থ এবং ১৮ টি খনি মুক্ত।রাজ্যে কয়লার সঞ্চয়ের  ৬০০ মিটার গভীরতা বিশিষ্ট এবং  পরিমানে ২৩ বিলিয়ন টন।এর মধ্যে প্রমাণিত নিষ্কাশনশীল সঞ্চয় ৬ বিলিয়ন।
 
ই সি এল এর রানিগঞ্জ কয়লাখনি অঞ্চলের বিশেষ বৈশিষ্ট হল,এখানে দেশের সবচেয়ে ভাল জাতের অ-কোক কয়লা পাওয়া যায়।যেসব শিল্পে তীব্র তাপের প্রয়োজন হয়, যেম্ন কাঁচ, সেরামিক, রিফ্রাক্ট্রি, ফোর্জিং প্রভৃতি, বিশেষভাবে রানিগঞ্জ কয়লার উপর নির্ভরশীল।দেশের কয়লা রপ্তানীর পুরোটাই রানিগঞ্জ কয়লাখনি অঞ্চলের থেকে হয়ে থাকে।রানিগঞ্জ কয়লাখনি অঞ্চলে এছাড়াও আছে প্রভূত পরিমানে মূলত ক্ষুদ্র আব যুক্ত লৌহ-আকরিক।ভাল জাতের ফায়ার-ক্লে পাওয়া যায় এই কয়লাখনি অঞ্চলে বরাকর এলাকায়।ফায়ার-ক্লে  ছাড়াও এ অঞ্চলে বিভিন্ন উপযোগী মৃত্তিকা পাওয়া যায়। যার মধ্যে রনেই এর পটারী-ক্লে এবং দূর্গাপুরের লাল-বর্ণের ব্রিক-ক্লে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

অন্যান্য খনি
রানিগঞ্জ কয়লাখনি অঞ্চলে  আছে প্রভূত পরিমানে লৌহ-আকরিক।ভাল জাতের ফায়ার-ক্লে পাওয়া যায় এই কয়লাখনি অঞ্চলে বরাকর এলাকায়।ফায়ার-ক্লে  ছাড়াও এ অঞ্চলে বিভিন্ন উপযোগী মৃত্তিকা পাওয়া যায়। যার মধ্যে রনেই এর পটারী-ক্লে এবং দূর্গাপুরের লাল-বর্ণের ব্রিক-ক্লে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

জেলায় অন্যান্য যেসব গুরুত্বপূর্ণ খনিজপদার্থ পাওয়া যায় সেগুলি হলঃ ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, ম্যাংগানীজ, বক্সাইট এবং ল্যাটেরাইট।

সূত্রঃ বর্ধমান জেলা গ্যাজেটেরস্‌

| সূচক | ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট | ভূগোল | এক নজরে | প্রশাসনিক কেন্দ্রসমূহ | বিধায়কবৃন্দ ও সাংসদবৃন্দ | নির্বাচনী ফলাফল | পর্যটন | ব্লকসমূহ |   সরকারী দপ্তরসমূহ | কৃষি | স্বাস্থ্য | শিক্ষা | তথ্য প্রযুক্তি | খনি | শিল্প | বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব | মানচিত্রসমূহ | র্ম | লোক-গণনা সংক্রান্ত তথ্য | পরিসংখ্যানগত তথ্য দূরভাষ নির্দেশিকা | চিত্র সংগ্রহ | বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ | জেলা সংবাদ | নাগরিক পরিষেবা মূল্যঞ্জাপণ | আদেশাবল|  

This page is brought to you by
National Informatics Centre(Burdwan District Unit), Department of Information Technology, Ministry of Communications and Information Technology, New Collectorate Building (3rd floor), Burdwan, West Bengal - 713 101, India
Phone : 91-0342-2662582, Email: wbbrd@hub2.nic.in