![]() |
সাক্ষরতা কর্মসূচী |
মাসিক সংবাদপত্র নবসাক্ষরদের জন্য ষষ্ঠম বর্ষ,একাদশ সংখ্যা |
|
|
||
|
|
||
|
|
||
|
স্মরণীয় ঘটনাবলী:-
অসাক্ষর জনসাধারনের ৮২.২% কে
সাক্ষর করার জাতীয় লক্ষ্যপূরণের
পথে, বর্ধমান দেশের দ্বিতীয় জেলা হিসাবে পুর্ণ
সাক্ষর হবার কৃতিত্বের
অধিকারী।তদানীন্তন উপরাষ্ট্রপতি মাননীয় ডক্টর শংকরদয়াল শর্মা এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই
ঘোষণা করেন।২০/৮/৯০ এর সমীক্ষা অনুযায়ী, ৯ থেকে ৫০ বছরের ১২০০১৪৩ জন চিহ্নিত
অসাক্ষরকে নিয়ে,১৯৯০ সালের ২৬ শে সেপ্টেম্বর শুরু হয় পূর্ণ
সাক্ষরতা অভিযান। |
![]() |
| বিবিধ সাক্ষরতা-উত্তর কর্মসূচীর মাধ্যমে বর্ধমান তার এই অভিযান জারী রেখেছে।পড়ুয়াদের সাক্ষর-দক্ষতা সুদৃঢ় ও বলীয়ান করে,তাদের পঠন-পাঠনের ব্যপারে স্বনির্ভর করে তোলাই এর মূখ্য উদ্দেশ্য।সাক্ষরতার সাথে উন্নয়নকে অভিন্ন করার চেষ্টা করে এবং জীবনের মান্নোয়নের বিভিন্ন উপাদানের সাথে পরিচতি ঘটানোর মাধ্যমে,এইসব সাক্ষরতা-উত্তর কর্মসূচীতে নতুন বৈশিষ্ট্যর সংযোজন করা হয়েছে।নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিবিধ কর্মসূচী,শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ জাগিয়ে তোলা এসবও সাক্ষরতা-উত্তর কর্মসূচীর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।জন শিক্ষণ নিলায়ম ধাপে এই সমস্ত কর্মসূচী পালন করা হয় এবং সব কেন্দ্রে গড়ে তোলা হয়েছে নবসাক্ষরদের জন্য একটি ক্ষুদ্র পাঠাগার।উল্লেখ্য যে, পুর্ণ সাক্ষরতা অভিযানে যে সব অসাক্ষর সাক্ষর হয়ে উঠতে পারেননি, সাক্ষরতা-উত্তর কর্মসূচীর বিভিন্ন ধাপে,তাদেরকে সাক্ষর করে তোলার জন্য প্রচার করা হয়।এও উল্লেখ্য যে,সাক্ষরতা-উত্তর কর্মসূচীর বিভিন্ন ধাপে,অন্তর্গত ও বহির্গত উভয় প্রকার মূল্যায়নই বহিরাগত বিশেষজ্ঞ দ্বারা করা হয়। |
| পূর্ণ সাক্ষরতা কর্মসূচীর এবং সাক্ষরতা-উত্তর কর্মসূচীর মূল তথ্য |
| পূর্ণ সাক্ষরতা কর্মসূচীর অভীষ্ট শিক্ষার্থী | |||||
| বয়ঃ বিভাগ | পুরুষ | স্ত্রী | মোট | তপশিলী জাতি | তপশিলী উপজাতি |
|---|---|---|---|---|---|
৯-১৪ |
৮১০২৭ |
৮৯৯৭৬ |
১৭১০০৩ |
৯২৭৩৫ |
২৩০৭৩ |
|
১৪+ |
৪৬৫৯৩৪ |
৫৬৩২০৬ |
১০২৯১৪০ |
৫৬৩৫৮২ |
১৬৩৩৪০ |
|
মোট |
৫৪৬৯৬১ |
৬৫৩১৮২ |
১২০০১৪৩ |
৬৫৬৩১৭ |
১৮৬৪১৩ |
| পূর্ণ সাক্ষরতা কর্মসূচীর দ্বারা সাক্ষর মোট ব্যক্তি | |||||
| বয়ঃ বিভাগ | পুরুষ | স্ত্রী | মোট | তপশিলী জাতি | তপশিলী উপজাতি |
|---|---|---|---|---|---|
৯-১৪ |
৬৬৩৭৯ |
৭২৯৮২ |
১৩৯৬১ |
৮৫৩১৩ |
২০৮৬৫ |
১৪+ |
৩৮৭৫৯৬ |
৪৫৯৮৬৭ |
৮৫৭৪৬৩ |
৪০৪৬৩২ |
১১৩৫৫১ |
মোট |
৪৫৩৯৭৫ |
৫৩২৮৪৯ |
৯৮৬৮২৪ |
৪৮৯৯৪৫ |
১৩৪৪১৬ |
| সাক্ষরতা-উত্তর কর্মসূচীর অভীষ্ট শিক্ষার্থী | |||||
| বয়ঃ বিভাগ | পুরুষ | স্ত্রী | মোট | তপশিলী জাতি | তপশিলী উপজাতি |
|---|---|---|---|---|---|
৯-১৪ |
৮১০২৭ |
৮৯৯৭৬ |
১৭১০০৩ |
৯২৭৩৫ |
২৩০৭৩ |
১৪+ |
৪৬৫৯৩৪ |
৫৬৩২০৬ |
১০২৯১৪০ |
৫৬৩৫৮২ |
১৬৩৩৪০ |
মোট |
৫৪৬৯৬১ |
৬৫৩১৮২ |
১২০০১৪৩ |
৬৫৬৩১৭ |
১৮৬৪১৩ |
সাক্ষরতা-উত্তর কর্মসূচীর কৃতিত্ব |
|||||
| শ্রেণী | পুরুষ | স্ত্রী | মোট | তপশিলী জাতি | তপশিলী উপজাতি |
|---|---|---|---|---|---|
| সাক্ষর ব্যক্তি (নবসাক্ষর) | ৫৭২১৭ |
৪৪৬৭৭ |
১০১৮৪৯ |
৫৫০২৭ |
১৬২৯৪ |
মান উন্নয়ন করতে পেরেছেন এমন শিক্ষার্থী |
৩০৩৩৫৬ |
৩৪২০৮৩ |
৬৪৫৪৩৯ |
৩৫৪৯৯১ |
১০৩২৭৩ |
মোট |
৩৬০৫৭৩ |
৩৮৬৭৬০ |
৭৪৭৩৩৩ |
৪১০০১৮ |
১১৯৫৬৭ |
| পূর্ণ সাক্ষরতা ও সাক্ষরতা-উত্তর কর্মসূচীর মাধ্যমে নবস্বাক্ষর | |||||
| শ্রেণী | পুরুষ | স্ত্রী | মোট | তপশিলী জাতি | তপশিলী উপজাতি |
|---|---|---|---|---|---|
| পূর্ণ সাক্ষরতা কর্মসূচীর মাধ্যমে | ৪৫৩৯৭৫ |
৫৩২৮৪৯ |
৯৮৬৮২৪ |
৪৮৯৯৪৫ |
১৩৪৪১৬ |
|
সাক্ষরতা-উত্তর কর্মসূচীর মাধ্যমে |
৫৭২১৭ |
৪৪৬৭৭ |
১০১৮৯৪ |
৫৫০২৭ |
১৬২৯৪ |
মোট |
৫১১১৯২ |
৫৭৭৫২৬ |
১০৮৮৭১৮ |
৫৪৪৯৭২ |
১৫০৭১০ |
|
|
|
বর্ধমান জেলায়
অবিচ্ছেদ্য শিক্ষা কর্মসূচী :- নবসাক্ষর এবং পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য জেলায় শুরু হয়েছে অবিচ্ছেদ্য শিক্ষা কর্মসূচী । ১৯৯৭ এর ৩০ শে মার্চ এই কর্মসূচী শুরু হয়েছে। বর্তমানে জেলায় ২০০০ টি অবিচ্ছেদ্য শিক্ষা কেন্দ্র(CEC) রয়েছে।এর মধ্যে ২৫০ টি নোডাল কেন্দ্র এবং বাকি ১৭৫০ টির মধ্যে ৪ টি বিভিন্ন স্বেছছাসেবী সংগঠন দ্বারা পরিচালিত।এইসব কেন্দ্রে শিক্ষা প্রদানকারীদের মূখ্যপ্রেরক ও প্রেরক বলা হয় এবং এরা নিয়মিত সময় পরপর প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন।প্রশিক্ষনকালে বি জেড এস এস, বয়স্ক শিক্ষার এস আর সি এবং ডব্লু বি এস এল এম এ'র সাহায্য নিয়ে থাকে। |
1. সি ই সি গুলির ব্লক,পুরসভা ও স্বেছছাসেবী সংগঠন ভিত্তিক বিভাজন(বিশদ দেখার জন্য ক্লিক করুন)
2. সি ই সি ও এন সি ই সি গুলির পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়ার এখনও পর্য্যন্ত পাওয়া রিপোর্টঃ
| প্রেরক ও সহপ্রেরক | যুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা | ||
| পুরুষ | স্ত্রী | মোট | |
| প্রেরক | ১২১৯ | ৪৭৫ | ১৬৯৪ |
| সহপ্রেরক | ৮৪২ | ৭০৬ | ১৫৪৮ |
3. বর্তমানে সি ই সি ও এন সি ই সি গুলিতে মোট অন্তর্ভুক্তির সংখ্যা :-
পুরুষ |
স্ত্রী |
মোট |
||
|
৭৫৮৩৯০ |
৩৭২৮৮৪ |
১১৩১২৭৪ |
৪৭৩৩৩২ |
১১২৬৫৭ |
4. সি ই সি ও এন সি ই সি গুলিতে যেসব কর্মসূচী পালিত হয় :-
| মূখ্য | নিয়মিতভাবে পালন করা হয় সাক্ষ্রদের দক্ষতার মান উন্নয়ন,বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে আলোচনা,পাঠাগার গড়ে তোলা তার ব্যবহার ইত্যাদি। গৃহমধ্যে সম্ভব এমন খেলাধূলা, গান-বাজনা প্রভৃতিও আয়োজিত হয়। |
| নির্দিষ্ট অভীষ্ট | জাতীয় সাক্ষরতা অভিযান দ্বারা চারটি
কর্মসূচী
নেওয়া হয়েছে।এগুলি হল-তুল্যতা শিক্ষা
কর্মসূচী,আয়
উৎপাদক কর্মসূচী,জীবনযাত্রার
মান্নোয়নের কর্মসূচী,ব্যক্তিগত
আগ্রহকে উৎসাহ দেবার কর্মসূচী। বি জেড এস এস জেলায় চারটি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে দল গঠন করেছে।যারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যপূরনের জন্য বিবিধ কর্মসূচীতে উপদেষ্টার কাজ করে থাকেন।প্রয়োজন অনুসারে এখনো অবধি বিভিন্ন কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলির শিক্ষার্থীদের কর্মসূচীতে আগ্রহী হয়ে অংশ নিতে সাহায্য করেছে।
|
|
অবিচ্ছেদ্য শিক্ষা কেন্দ্রগুলিতে চালু করা হয়েছে তুল্য শিক্ষা
কর্মসূচী :- অবিছছেদ্য শিক্ষা কর্মসূচীর এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।এই সৃজনশীল কর্মসূচী বি জেড এস এস প্রসূত এবং জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(প্রাথমিক শিক্ষা),বর্ধমানের সাথে যৌথভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
এই
কর্মসূচীতে কেন্দ্রের সমস্ত আগ্রহী পুরুষ ও স্ত্রী নবসাক্ষর এবং বিদ্যালয় ছেড়ে
যাওয়া শিক্ষার্থী, যারা এই পাঠক্রমে নাম ন্থিভুক্ত করবেন,বয়স নির্বিশেষে প্রথাগত
প্রাথমিক শিক্ষার ২য়,৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য তাঁরা যোগ্য বিবেচিত হবেন।যে
গ্রামে কেন্দ্রটি অবস্থিত, সেই গ্রামের কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়
শিক্ষকরা এই শিক্ষার্থীদের পঠন-পাঠন চলবে।
| |
![]() |
অবশেষে ২য়,৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের
মূল্যায়ন করা হয়।মূল্যায়নপত্র প্রস্তুত করেন জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্ষদ ও জেলা বিদ্যালয়
পরিদর্শক(প্রাথমিক শিক্ষা)'র প্রেরিত ব্যক্তি।মূল্যায়ন পরিচালনা করেন এস আই অফ
স্কুলস এঁর নেতৃত্বে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের একটি দল।ব্লকের মূখ্য
কার্য্যালয়ে ওই একই
দল মূল্যায়নপত্রগুলি যাচাই করেন এবং শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের নিরিখে মান
প্রদান করা হয়। ফলাফল বি জেড এস এস, কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সফল শিক্ষার্থীদের সংশাপত্র প্রদানের উদ্যোগ নেয়। |
|
আয় উৎপাদক কর্মসূচীর
আওতায় সি ই সি এবং এন সি ই সি'র নব
সাক্ষরদের নিয়ে স্ব-সহায়তা জোটের গঠনঃ- নাবার্ড,গ্রামীণ ব্যাংক ও অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এর পরামর্শে ১৯৯৮ এর শেষে বি জেড এস এস এই কর্মসূচী নেয়।যোজনাটি বিবর্ধিত ও বিতরিত হয়।নাবার্ড,গ্রামীণ ব্যাংক,অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক,ডি আর ডি এ'র কর্তাবৃন্দ , মূখ্য প্রেরক ও অন্যান্যদের নিয়ে,বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও বর্ধমানের জেলাশাসক'র উপস্থিতি তথা সক্রিয় অংশগ্রহনে একটি বিশেষ কর্মশালা আয়োজিত হয়। সি ই সি'র শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্ব-সহায়তা জোটের গঠনের যোজনাটি বিবেচিত হয় এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাংকে খাতা খোলার ব্যবস্থা হয়।প্রায় ৯৯২ টি এরকম দল গঠন করা হয় এবং প্রত্যেকেই স্থানীয় ব্যাংকে খাতা খোলে।দলের সদস্যরা নিয়মিতভাবে সেই খাতায় তাদের সঞ্চয় জমা করতে থাকে।আশা করা হয়েছিল এইসব দলগুলি আর্থিক কর্মসূচীর মাধ্যমে তাদের আর্থিক মানের উন্নয়নে এবং স্থানীয় সামাজিক সমস্যাগুলির মোকাবিলায় সক্ষম হবে। এস আর সি,পশ্চিম বাংলার সহায়তায়, আউশগ্রাম-২ ও জামালপুর জেলার এই দুটী ব্লকে,এইসব দলগুলির সদস্যদের নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতার বিকাশে ও তাদের জনসংখ্যা শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ২০০১ সালে ডি আর ডি সি'র আওতায় এস জি এস ওয়াই যোজনাটি শুরু হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী ওইসব দলে যোগ দেন। তাঁরা সকলেই ব্যাংক খাতা খোলেন এবং আর্থিক কর্মসূচী নেন। ২০০৫ সালে মার্চের প্রথম সপ্তাহে,ডি আর ডি সি বর্ধমান,নাবার্ড ও এস আর সি,পশ্চিম বাংলার সহায়তায়;জেলার ৬ টি মহাকুমায়,এইসব কাজের উন্নতিকল্পে প্রশিক্ষনের আয়োজন করা হয়।অংশ নেন মূখ্য প্রেরকরা,ব্লক কো-অর্ডিনেটরস্ এবং রাজ্য সরকারের জন শিক্ষা'র অতিরিক্ত অধিকর্তারা। |
জীবন বিকাশ কর্মসূচীর অন্তর্গত
ক্রিয়াকলাপ:-
|
||||||
| ব্যক্তিগত
আগ্রহে উৎসাহদায়ক কর্মসূচী :-
কেন্দ্রগুলিতে উপলব্ধ খেলাধূলার সরঞ্জাম ও সংগীত যন্ত্রাদির মাধ্যমে, যে সব শিক্ষার্থী আগ্রহী, তাঁরা নিয়মিত এসবের চর্চা করেন।প্রতি বছর বি জেড এস এস গ্রাম পরিষদ থেকে জেলা স্তরে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে এবং জেলা স্তরের অংশগ্রহনকারী দলগুলি রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।বেশ কিছু বছরে বিজয়ী হয়ে,বর্ধমান জেলার প্রতিযোগীরা রাজ্যস্তরে বিশেষ কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছে। | ||||||
|
অবিচ্ছেদ্য শিক্ষা
কেন্দ্রগুলিতে
পুস্তক ও অন্যান্য সরঞ্জাম:- প্রত্যেক সি ই সি ও এন সি ই সি কেন্দ্রে আল্মারী,কাঠের তাক,ব্ল্যাকবোর্ড,মানচিত্র ও সারণী(বাংলা,হিন্দি,উর্দুতে) ইত্যাদি উপলব্ধ রয়েছে।ছশোরও বেশি প্রকারের বই প্রতি কেন্দ্রে পাঠাগারের জন্য সরবরাহ করা হয়েছে।ক্ষুদ্র সঞ্চয়,আইনি সহায়তা,কৃষি শ্রমিকদের জন্য প্রভিডেণ্ড ফাণ্ড,গ্রাম সংসদ,শিশু শ্রম প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয়ের উপর লিখিত বিবৃতি প্রস্তুত করে,বি জেড এস এস, কেন্দ্রগুলিকে সরবরাহ করেছে।শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য, কেন্দ্রগুলিকে, বিভিন্ন প্রকারের খেলাধূলার সরঞ্জাম ও সংগীত-যন্ত্রাদি,বসবার মাদুর ও নথিপত্র সংরক্ষণের জন্য ইস্পাতের তোরঙ্গ প্রদান করা হয়েছে।বি জেড এস এস "খবরাখবর" নামক একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করে এবং শিক্ষার্থীদের পড়ার জন্য কেন্দ্রগুলিতে পাঠায়।সম্প্রতি নবসাক্ষরদের জন্য ১৪৫ টি বই প্রতি সি ই সি কেন্দ্রের জন্য কেনা হয়েছে এবং শীঘ্রই সেগুলি কেন্দ্রগুলির কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।এছাড়াও পাঠাগারের জন্য বই,শিক্ষণ ও পঠনের জন্য বিভিন্ন সামগ্রীর ব্যবস্থাও কেন্দ্রগুলির জন্য করা হয়েছে। | ||||||
| জেলা
সংস্থান
কেন্দ্র :-
বি জেড এস এস এর অধীনে বিগত ১২ বছর ধরে কাজ করে চলেছে ভারত সরকারের অনুমোদিত জেলা সংস্থান কেন্দ্র। অপ্রথাগত ও বয়স্ক শিক্ষার ক্রিয়াকলাপে কেন্দ্রটি সহায়তা প্রদান করে থাকে।কেন্দ্রটি প্রেরকদের প্রশিক্ষন ও কাজে এবং পুস্তক ও লিখিত বিবৃতি প্রস্তুত ও প্রকাশ করতে বি জেড এস এস কে সাহায্য করে।প্রস্তুত করে মাসিক "খবরাখবর" পত্রিকাও।কেন্দ্রের কর্মীদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগে শিশু শ্রমিক কল্যান পরিষদ,শিশু শিক্ষা প্রকল্প,সর্ব শিক্ষা অভিযান ইত্যাদিতেও।জেলা সংস্থান কেন্দ্র যথেচ্ছভাবে বেছে নেওয়া জেলার ৪০০ প্রথম প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১০০ সর্ব শিক্ষা কেন্দ্রে সমীক্ষা চালিয়ে,পরিকাঠামগত সুবিধা,শৌচাগারের বন্দোবস্ত ও শিক্ষণের মান্নোয়নের জন্য কি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তার একটি দলিল প্রস্তুত করার দায়িত্বও এই কেন্দ্রে উপর রয়েছে।
| ||||||
| ভবিষ্যত
পরিকল্পনা :-
ভারত সরকারের অনুমোদিত অর্থের যথাযথ প্রয়োগ করে বি জেড এস এস সমস্ত কর্মসূচী রূপান্তর করেছে। ৪র্থ অনুমোদনের প্রথম কিস্তি হাতে এলে,বি জেড এস এস মূল ক্রিয়াকলাপগুলি ছাড়াও, অবিচ্ছেদ্য শিক্ষা কর্মসূচীতে নিম্নলিখিত ক্রিয়াকাণ্ডগুলির উপর জোর দেবে- ১)অবিচ্ছেদ্য শিক্ষা কর্মসূচীর মুল্যায়ন শেষ হলে,বি জেড এস এস জেলার চিহ্নিত পিছিয়ে থাকা গ্রামগুলিতে এই কর্মসূচী রূপায়নের সদিচ্ছা রাখে। ২)শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন বৃত্তিমূলক শিক্ষা শুরু করা।এজন্য সরকারের কাছে একটি বিশদ প্রকল্প-প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং জেলা স্তরে কৃষি,উদ্যানবিদ্যা,মৎস ও কৃষি বিপণনের মত বিবিধ বিভাগের সাথে আলোচনা চলছে।স্থানীয় সামাজিক পলিটেকনিকগুলি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন গ্রামীণ প্রযুক্তি কেন্দ্র'রও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। ৩)যেহেতু অবশিষ্ট অসাক্ষর নির্মূলন কর্মসূচীর মাধ্যমে সব অবশিষ্ট অসাক্ষরকে সাক্ষর করা যায়নি,তাই বি জেড এস এস, এজাতীয়দের, বিশেষত এজাতীয় মহিলাদের উপর জোর দিয়ে,চেতনা গড়ে তোলার ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে একটি কর্মসূচী নিতে চায়। ৪)আয় উৎপাদক কর্মসূচীর মাধ্যমে স্ব-সহায়তা জোট গঠনের ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া। ৫)পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সংস্থান কেন্দ্রের সাথে যৌথ উদ্যোগে বি জেড এস এস এইচ আই ভি/এইডস্ এর উপর বিশেষভাবে জোর দিয়ে বিশেষ স্বাস্থ্য কর্মসূচীর প্রসারন ও কৈশোরপ্রাপ্তদের শিক্ষার ব্যাপারে আগ্রহী। | ||||||
সূত্রঃ শিক্ষা কোষ, বর্ধমান সমাহর্তা
This page is brought to you by |